আজ ৯ ডিসেম্বর নকলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্থানি বাহিনীকে বিতারিতকরে ১১নং সেক্টরের নকলা অঞ্চলকে হানাদার মুক্ত করে বিজয়ের পতাকা উড়ায়। যুদ্ধকালীন সময়ে ১১নং সেক্টরের তথা ব্রহ্মপুত্র
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে ইউনেস্কোর সহযোগিতায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টি’র উদ্যোগে ও আয়োজনে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “আন্তর্ভূক্তিমূলক ভবিষ্যতের জন্য প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নেতৃত্বের বিকাশ: গণমাধ্যমের ভূমিকা’’ শীর্ষক
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর আওতায় শেরপুর জেলার নকলা জোনে গত বছর বীজআলুর বাম্পার ফলন হওয়ায় এবং আগাম জাতের আলুর দাম বেশি পাওয়ায় কৃষকরা বীজআলু ও আগাম জাতের আলু চাষে
শেরপুরে আলু, পেঁয়াজ ও ভেবাজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামের উধ্বর্বগতির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস এসোসিয়শন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) জেলা শহরের খরমপুর মোড়ে এ
আজ ৭ ডিসেম্বর, শেরপুর ও নালিতাবাড়ী অঞ্চল মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে শেরপুর ও নালিতাবাড়ী অঞ্চলকে পাকিস্তানি শক্রর হাত থেকে মুক্ত করা হয়। দেশের সীমান্তবর্তী এ জেলার প্রথম শক্রমুক্ত
আজ ৬ ডিসেম্বর, শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মিত্র বাহিনীর তীব্র আক্রমনে টিকতে না পেরে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা শ্রীবরদী
সারা দেশের ন্যায় শেরপুরের নকলায় ১৬ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ-২০২৪ উপলক্ষে বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নারী ও শিশু নির্যাতন বিরোধী শপথ গ্রহণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে
শেরপুরের নকলায় সঠিক সময়ে নবজাতকের জন্ম নিবন্ধনে অভিভাবকদের আগ্রহী করতে পৌরসভার উদ্যোগে জনসচেতনতা মূলক তথা উদ্বুদ্ধকরণ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার নবজাতকের বাড়ি বাড়ি
গুটিগুটি মিষ্টি জাতীয় সুস্বাধু রসালো খাদ্যের নাম শেরপুরের ছানার পায়েস। ছানার পায়েস শেরপুরের একটি প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী খাবার। বিচিত্র খাবারের মধ্যে শত বছরের সুখ্যাতি আছে এ পায়েসের। যেকোন উৎসব আয়োজনে ভোজন
বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদ শেরপুর জেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সৈয়দ মো. শহিদুল ইসলাম-কে সভাপতি ও মো. ফারুক আহাম্মেদ-কে সাধারণ সম্পাদক করে ২৬ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি