দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি কৃষিক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়নে ট্রে পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনের প্রতি কৃষকের আগ্রহ বেড়েছে। এ পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন করে ধান চাষে সফলতা পাচ্ছে শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার বেশ
শেরপুরের নকলায় করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রভাবে সরকার কর্তৃক ঘোষিত কঠোর লকডাউনের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় অনাহারি মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার
‘আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় শেরপুরের নকলা উপজেলার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে এমনকি এই কর্মসূচি চলমান রয়েছে। মুজিব
শেরপুরের নকলা উপজেলায় ২০২০-২০২১ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে রাজস্ব কর্মসূচিসহ বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ১৩৪টি কৃষি প্রদর্শণী প্লট বাস্তবায়ন করেছে উপজেলা কৃষি অফিস। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, খরিপ-২ মৌসুমে বাস্তবায়িত
আজ ২৫ জুলাই, সোহাগপুর গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঐতিহাসিক নৃশংস গণহত্যা সংগঠিত হয়েছিল শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কাঁকরকান্দি ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রামে। পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার আলবদর
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঠেকাতে দেশের অধিকাংশ অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন কারখানা ও গণপরিবহন বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু ঔষধের দোকান ও খাবার হোটেলসহ নিত্যপণ্য বেচা-কেনার জন্য কাঁচাবাজার গুলো খোলা রাখা হয়েছে।
সৌদিআরব তথা মধ্যপ্রাচ্যের সাথে দিনের মিল রেখে শেরপুর জেলার সদর উপজেলাসহ নকলা, নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতি উপজেলার অন্তত ৭ গ্রামে আগাম ঈদ-উল-আজহা উদযাপন করা হচ্ছে। সকাল ৮ টা থেকে ৯ টার
শেরপুর জেলার নকলায় “ক” শ্রেণীর ভূমিহীন ও গৃহহীন ১০০ পরিবারের মাঝে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-এঁর ঈদ উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শুরু হয়েছে। খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া
আর মাত্র কয়েকদিন পরেই মুসলিম জাহানের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান পবিত্র ঈদ-উল-আজহা তথা কোরবানির ঈদ। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় যে বা যারা কোরবানি দিবেন, তাদের অধিকাংশরাই কোরবানির পশু কিনতে পশুর হাটের
বীজতলা তৈরি না করে ড্রাম সিডারের মাধ্যমে সরাসরি ধান বপনে লাভবান হওয়ায় শেরপুরের নকলা উপজেলার অনেক কৃষক এই পদ্ধতিতে ধান চাষে ঝুঁকছেন। ধান চাষে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ড্রাম সিডার পদ্ধতি।