শেরপুরের নকলা উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের ভিজিডি’র প্রতি উপকারভোগীর মাঝে মাসিক ২০০ টাকা হারে ২৪ মাসের মোট ৪ হাজার ৮০০ টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। এতে ইউনিয়নের ২৬৪ জন উপকারভোগীর মাঝে মোট ১২ লাখ ৬৭ হাজার ২০০ টাকা বিতরণ করা হয়।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারী) বিকেলে উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনেপাঠাকাটা ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুছ সালামের সভাপতিত্বে সঞ্চয়ের টাকা বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এসময় ব্যাংক এশিয়ার নকলা উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপক (কর্মকর্তা) ইউসুফ আলী, পাঠাকাটা এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার এজেন্ট ও নকলা প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মো. সেলিম রেজাসহ ইউপি সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ, গ্রাম পুলিশগন ও ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত আড়াই শতাধিক ভিজিডি’র সুবিধাভোগী উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, এদিন রাতে ব্যাংক এশিয়ার নকলা উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপক (কর্মকর্তা) ইউসুফ আলী, পাঠাকাটা এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার এজেন্ট ও নকলা প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মো. সেলিম রেজা পাঠাকাটা এলাকায় ব্ল্যাড ক্যান্সারে আক্রান্ত চলাচলে অক্ষম রত্না বেগম নামে এক সুবিধাভোগীদের বাড়ীতে গিয়ে তার হাতে সঞ্চয়ের টাকা তুলেদেন।
ইহকালীন জীবনের প্রায় শেষ প্রান্তে এসে সহায় সম্বলহীন হওয়া রত্না বেগম বিছানায় শুয়ে থেকে একসাথে প্রায় ৫ হাজার টাকা হাতে পেয়ে খুব খুশি হয়েছেন। তিনি বলেন, এই মুহুর্তে ৪ হাজার ৮০০ টাকা আমার জন্য ৫ লাখ টাকার মতো উপকারে আসবে।
পাঠাকাটা এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার এজেন্ট ও নকলা প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মো. সেলিম রেজা বলেন, আমরা শয্যাসায়ী রত্না বেগমের হাতে তার পাওনা টাকা তুলে দিতে পেরে সত্যিই খুব খুশি হয়েছি, এমন কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় মনে বেশ তৃপ্তি পাচ্ছি।