শেরপুরের নকলা উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার দরিদ্র ও সল্প আয়ের ৯ হাজার ৬৭৬টি পরিবারকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ন্যায্যমূল্যের পণ্য ক্রয়ের সুবিধাভোগীর আওতায় আনা হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি পৌরসভার ২ হাজার ৭২৮টি পরিবার এবং ২নং নকলা ইউনিয়নের সবচেয়ে কম ৩৬৯টি পরিবার এ সুবিধার আওতায় এসেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নকলা পৌরসভার ২ হাজার ৭২৮টি পরিবার, ১নং গণপদ্দী ইউনিয়নের ৯৭০টি, ২নং নকলা ইউনিয়নের ৩৬৯টি, ৩নং উরফা ইউনিয়নের ৯৩৩টি, ৪নং গৌড়দ্বার ইউনিয়নের ৫৮৭টি, ৫নং বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের ৮৬১টি, ৬নং পাঠাকাটা ইউনিয়নের ৫৬৫টি, ৭নং টালকী ইউনিয়নের ৯২৫টি, ৮নং চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ৮৭৯টি ও ৯নং চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের ৮৫৯টি পরিবার টিসিবি’র ন্যায্যমূল্যের পণ্য ক্রয়ের সুবিধাভোগীর আওতায় রয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন শামীম জানান, চলতি মাসের জন্য বরাদ্দকৃত টিসিবি পণ্যের প্রতিটি প্যাকেটে ৫ কেজি চাল, যার মূল্য ধরা হয়েছে ১৫০ টাকা; ২ লিটার সয়াবিন তেল, যার মূল্য ধরা হয়েছে ২০০ টাকা; ২ কেজি মসুর ডাল, যার মূল্য ধরা হয়েছে ১২০ টাকা ও ১ কেজি চিনির বিক্রয় মূল্য ৭০ টাকা। এ হিসেব মতে প্রতি পরিবারকে ৫৪০ টাকার বিনিময়ে চলতি মাসের টিসিবি পণ্য ক্রয় করতে হচ্ছে।
টিসিবি ডিলার মো. শহিদ মিয়া জানান, গত দুইদিন ধরে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। গতকাল উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ন্যায্যমূল্যের পণ্য ক্রয়ের স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৮৬১টি পরিবারের মাঝে দিনব্যাপি টিসিবি’র পণ্য বিক্রি করা হয়েছে। ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য ক্রয় করতে পেরে দরিদ্র ও সল্প আয়ের পরিবারের লোকজন খুশি হয়েছেন।
এসময় তদারককারী কর্মকর্তা ও উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা আরিফা খানম এশা, ইউপি সদস্য, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমান্য ব্যক্তিবর্গ, নকলা থানার পুলিশ সদস্যসহ ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রাম পুলিশ ও সুবিধাভোগী পরিবারের নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।