ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার ঘোষগাঁও এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঘোষগাঁও বাজারের পাশে এক ধানক্ষেত থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আমদানী নিষিদ্ধ ১৩৩ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে থানার পুলিশ। রাত্রীকালীন কিলো-১২ ডিউটি, বাজার ডিউটি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোরে এসব উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘোষগাঁও এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে মোখলেছ উদ্দিনের বাড়ির সামনের পুকুরপাড় সংলগ্ন ধানক্ষেত থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আমদানী নিষিদ্ধ ১৩৩ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করে ধোবাউড়া থানার পুলিশ।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন সরকার-এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক এসআই সাইফুল ইসলাম, এএসআই মনিরুজ্জামান ও পুলিশ সদস্য মোতাহার হোসেনসহ সংঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে এসব উদ্ধার করতে সমর্থ হয়।
ওসি আল মামুন সরকার জানান, আমদানী নিষিদ্ধ উদ্ধারকৃত বিদেশী মদ জব্দ করে থানায় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।
তথ্য রয়েছে, মাদক বিষয়ে ওসি আল মামুন সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির ফাঁদে পড়ে মাদককারবারীরা বেকায়দায় রয়েছে। তাই তারা সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্ট থানায় কর্মরত চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা ও পরিশ্রমী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডাক যোগসহ বিভিন্ন কৌশলে বেনামে অভিযোগ দিয়ে আসছে। যদিও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি মাদককারবারীদের সুবিধা পেতে বিশেষ কৌশল হিসেবেই বিবেচনা করছেন বলে মনে করছেন সুশীলজন। মাদককারবারীদের বেনামীয় কৌশলী অভিযোগের ভিত্তিতে চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা ও পরিশ্রমী পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিধি সীমিত করে দিলে বা অন্যত্র বদলী করা হলে মাদককারবারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তারা। এতে যুব সমাজের উপর মাদক সংশ্লিষ্ট বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।