বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেরপুরে রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রতিযোগিতা শেষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ’র কমিটি গঠন শেরপুরে নানান আয়োজনে রক্তসৈনিক ভেলুয়া শাখার ৫বছর পুর্তি উদযাপন নালিতাবাড়ীর সেঁজুতি প্রাঙ্গনে ১১৭তম একুশে পাঠচক্র আসর নকলায় উপজেলা দর্জি কল্যাণ সংগঠন’র নতুন কমিটির অভিষেক ও অফিস উদ্বোধন নালিতাবাড়ীতে দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এসএসসি-সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরে মতবিনিময় সভা সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে ইমাম-খতিবদের সাথে মতবিনিময় সভা নকলায় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি’র বিশেষ সভা নকলার দেবুয়ারচর স.প্রা.বি-তে নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ মা সমাবেশ

নকলায় আদালতের আদেশ অমান্য করে ভূমি জবর দখলের বিরোদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় | শনিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১০৭ বার পঠিত

শেরপুরের নকলায় আদালতের আদেশ টেটাসকো অমান্য করে ভূমি জবরদখল এবং নালিশি জমিতে নির্মান কাজ ও মাটি ভরাট বন্ধের দাবীতে আজিম উদ্দিন নামে এক নিরীহ বৃদ্ধ কৃষক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শনিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে এই সম্মেলন করা হয়। আজিম উদ্দিন শেরপুরের নকলা উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের চকপাঠাকাটা এলাকার মৃত অছিম উদ্দিনের ছেলে।

আজিম উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমি নিরিহ শান্ত প্রকৃতির একজন ছোট কৃষক। আমি দীর্ঘ্যদিন ধরে আমার পৈত্রিক সম্পতিতে কৃষি কাজ করে জীবীকা নির্বাহ করে আসছি। তবে জীবীকার তাগিদে কাঠের ফার্নিচারে রং করার কাজও করি। আমার অসহায়ত্ব ও অশিক্ষাকে পুঁজি করে আব্বাস আলী গংরা আমার দখলে থাকা বেশ কিছু পৈত্রিক জমি দীর্ঘ্যদিন ধরে ওয়ারিশ দাবী করে জোরজবর দখল করার চেষ্টা করে আসছে। তাই এলাকাবাসীর পরামর্শে আমার পিতার উত্তরসূরি হিসেবে আমার ভাই-বোনদের পক্ষে আমি শেরপুর সহকারী জজ আদালতে ২০২৩ সালের ১১ জুনে একটি বাটোয়ারা মামলা করি। মামলাটি বিচারাধিন আছে; যার নং ১৪৯/২৩। এরইমধ্যে ওই মামলার শুনানির ৮টি তারিখ অতিবাহিত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সি.এস ২৭৫, ৪৯০ ও ৫৫৯-এর আর.ও.আর ২৪২২, ২৪২৩, ২৪৫০, ২৪৬৫, ২৪৬৬, ২৪৭০ ও ২৫৩৫ নং দাগের মোট ৩৮২ শতাংশ জমির উপর জবর দখল বন্ধে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর আদালতে অন্তর্বর্তী কালীন নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আমি একটি আবেদন করি। বিজ্ঞ আদালত আমার আবেদনটি শুনানি শেষে বিবাদি পক্ষের বিরোদ্ধে টেটাসকোর আদেশ প্রদান করেন এবং ১৫ ডিসেম্বর বিবাদী পক্ষকে টেটাসকোর নোটিশ জারি করা হয়। নোটিশ জারির পরেই আব্বাস আলী গংরা ক্ষিপ্ত হয়ে ১৮ ডিসেম্বর থেকে নালিশি জমিতে মাটি ভরাটসহ ঘর বাড়ি নির্মান, গাছপালা রোপন করে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে আর.ও.আর ২৪৫০ দাগের ৬৮ শতাংশ জমিতে ও ২৪৬৫ দাগের ৪২ শতাংশ নালিশি জমিতে আব্বাস আলী, আওয়াল মিয়া, আব্দুল আজিজ ও আব্বাস আলীর ছেলে আব্দুল মালেক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যা একদিকে টেটাসকো আইন অমান্য করা তথা আদালত অবমাননা, অন্যদিকে ভূমি মন্ত্রণালয় ও কৃষি বিভাগের ‘কৃষি জমি সংরক্ষণ আইন’ অমান্য করে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা হচ্ছে। তাই নালিশি জমিতে সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধের জোরদাবী জানাচ্ছি।’

এছাড়া আজিম উদ্দিনকে আইনের দারস্থ হতে ফিরে আসতে বলা হচ্ছে। তাকে কোনক্রমেই নালিশি ভূমিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবেনা বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রয়োজনে ভারাটিয়া খুনিদের দিয়ে হলেও যেকোন সময় সুযোগে তাকেসহ তার পরিবারের সদস্যদেরকে মেরে ফেলার হুমকি-দমকিও দিয়ে আসছে ওই চক্র।

সংবাদ সম্মেলন চলাকালে, আজিম উদ্দিনের পরিবারের লোকজন, তার মরহুম এক ভাই ও মরহুম এক বোনের পরিবারের প্রতিনিধি, জীবিত ৩ বোন এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

নালিশি জমিতে সকল নতুন কার্যক্রম দ্রুত বন্ধ করা না হলে এবং বিষয়টি আইনিভাবে সুরাহা না হলে যেকোন সময় খুন খারাপিসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় আইনের চরম অবনতি হতে পারে বলে এলাকাবাসী আশঙ্কা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102