বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেরপুরে রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রতিযোগিতা শেষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ’র কমিটি গঠন শেরপুরে নানান আয়োজনে রক্তসৈনিক ভেলুয়া শাখার ৫বছর পুর্তি উদযাপন নালিতাবাড়ীর সেঁজুতি প্রাঙ্গনে ১১৭তম একুশে পাঠচক্র আসর নকলায় উপজেলা দর্জি কল্যাণ সংগঠন’র নতুন কমিটির অভিষেক ও অফিস উদ্বোধন নালিতাবাড়ীতে দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এসএসসি-সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরে মতবিনিময় সভা সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে ইমাম-খতিবদের সাথে মতবিনিময় সভা নকলায় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি’র বিশেষ সভা নকলার দেবুয়ারচর স.প্রা.বি-তে নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ মা সমাবেশ

নকলায় পুকুরের পানিতে ডুবে আবারো এক শিশুর মৃত্যু

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় | মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৮১ বার পঠিত

শেরপুরের নকলায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে হৃদয় হাসান (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) উপজেলার গৌড়দ্বার ইউনিয়নের কুর্শা নয়াবাড়ী এলাকায় সকাল পৌণে ১০ টারদিকে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত হৃদয় হাসান ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ঘাঘরাখালি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের একমাত্র ছেলে।

জানা গেছে, শিশুদের জন্য নির্মান করা তিন চাকার সাইকেল চালানোর সময় হৃদয় হাসান পরিবারের লোকজনের অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে পানিতে তলিয়ে যায়। এমন সময় বাড়ির লোকজন তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে হৃদয়ের নানা পুকুরে সাইকেল ভাসতে দেখে ডাক চিৎকার শুরু করেন। পরে স্থানীয়রা পুকুর থেকে হৃদয় হাসানকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় তরুণ সবুজ মিয়া জানান, হৃদয় হাসানের বাবা দেলোয়ার হোসেন ও তার মা ঢাকায় এক গার্মেন্সে চাকরি করেন। চাকরির সুবিধার্থে তাদের সন্তানকে কয়েক দিন আগে তার নানার বাড়ি নকলার কুর্শা নয়াবাড়ী এলাকায় রেখে যান।

এর আগে ২৪ নভেম্বর (রবিবার) উপজেলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের রেহারচর গ্রামের মৃগী নদীর পানিতে গোসল করতে নেমে ৯ বছর বয়সী সুমাইয়্যা আক্তার নামের দ্বিতীয় শ্রেনির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। সে ওই এলাকার কালু মিয়ার মেয়ে এবং রেহারচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেনির শিক্ষার্থী ছিলো।

জীবনের শুরুতেই একজন শিশুকে এভাবে চিরতরে হারিয়ে যেতে হবে তা কোনক্রমেই কাম্য নয়। তাই শিশুরা মোটামুটি বুঝার আগ পর্যন্ত তাদের প্রতি বাড়তি নজরদারীসহ পুকুর ও নদীর তীরবর্তী প্রতিটি পরিবারের পিতা-মাতাকে সজাগ দৃষ্টি রাখা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় সুশীলজন।

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102