শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন

নকলায় ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপন

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় | বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৩ বার পঠিত

সারা দেশের ন্যায় শেরপুরের নকলায় ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠন, বিভিন্ন দপ্তর, সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। এর অংশ হিসেবে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বানেশ্বর্দী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়।

কর্মসূচি সমূহের মধ্যে, শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে শহিদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্যদিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু করা হয়। এরপরে আনুষ্ঠানিক ভাবে সঠিক মাপের জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও বিশেষ দোয়া পরিচালনা ছিলো উল্লেখযোগ্য।

মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সহসুপার মাওলানা মো. ফজলুল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সহকারী মো. মোশারফ হোসাইন, সহকারী শিক্ষক মোসাম্মৎ রোকেয়া আক্তার, শওকত আলী ও সহকারী মৌলভী মাওলানা মো. হযরত আলী প্রমুখ।

বক্তারা জানান, অঢেল রক্ত, অসীম বেদনা আর অদম্য সাহসের বিনিময়ে অর্জিত এক ইতিহাসের নাম ২৬ মার্চ। ২৬ মার্চ হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সূচনা দিবস। দিনটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের ভিত্তি হয়ে আছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার মুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধের শুরু হয় এই দিনে। এরপর ৯ মাসের প্রাণপণ যুদ্ধের পর বাঙালি জাতি পায় স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা।

আজ বৃহস্পতিবার বছর ঘুরে আবার ফিরে এসেছে মহান স্বাধীনতা দিবস ও গৌরবময় জাতীয় দিবস, যা ইতিহাসের পরিক্রমায় এবার ৫৬তম। জাতির মুক্তির সংগ্রামে বীর শহীদদের আত্মদানের কথা জাতি আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে। তারা আরো জানান, একাত্তরের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাঙালি জাতির ওপর হামলে পড়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। কিন্তু বাঙালি জাতি সর্বশক্তি দিয়ে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ফলশ্রুতিতে স্বাধীনতার চূড়ান্ত লড়াইয়ের সূচনা হয়। ৯ মাসের ধারাবাহিক রক্তক্ষয়ী লড়াই, অকাতরে আত্মদান এবং বীরত্বের স্বাক্ষর রেখে ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

আলোচনা সভা ও প্রতিযোগিতা শেষে উপস্থিত সকলকে সাথে নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদসহ সকল শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন সহ-সুপার মাওলানা মো. ফজলুল করিম।

এসময় সহকারী শিক্ষক নুসরাত জাহান নিপা, মাহাদী মাসুদ, জেসমিন আক্তার, সবুজা খাতুন ও মুক্তা খাতুন; সহকারী মৌলভী ফুলেছা খাতুন ও সোহাগী বেগম, সহকারী শিক্ষক আবু রায়হান, তাহেরা সুলতানা, আয়েশা আক্তার, মোজাহিদুল ইসলাম, কব্দুল হোসেন, ইয়াছিন আহাম্মেদ, উজ্জল মিয়া, লাবনী বেগম ও আরিফ হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102