শেরপুরের নকলা উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের পাঁচকাহনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (বাবুল) স্যারের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ও পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষ্যে তাদের সাফল্য কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল করা হয়েছে।
পাঁচকাহনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে দোয়া ও প্রধান শিক্ষককে সম্মাননা প্রদানসহ বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান উপলক্ষে আলোচান সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. ফখরুল আলম, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি উপজেলা শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সম্পাদক সেলিম হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান উজ্জলসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।
এসময় বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাহী সভাপতি রিয়াজুল হাসান, সহ-সভাপতি শাকের আহমেদ, হাবিবুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদুর রহমানসহ উপজেলার অর্ধশতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকগন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিদায়ী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (বাবুল) তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দানকালে আবেগ প্রবণ কন্ঠে সবার কাছে দোয়া কামনা করেন। এসময় ছাত্র-শিক্ষকসহ উপস্থিত সবাই আবেগাপ্লুত হয়ে উঠেন। আলোচনা সভা শেষে পাঁচকাহনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (বাবুল) স্যারের হাতে সম্মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেষ্ট ও বিভিন্ন উপহার তোলে দেওয়া হয়।
তাঁর কর্মদক্ষতা, কাজের প্রতি শ্রদ্ধা, একাগ্রতা ও নিয়মানুবর্তিতাসহ বিভিন্ন শিক্ষনীয় ও অনুকরনীয় বিষয় গুলো বর্তমান ছাত্র-শিক্ষকের ভবিষ্যৎ জীবনে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে বলে অনেকে মনে করছেন। তাঁর একজন আদর্শবান ও দায়িত্বশীলতার শূণ্যতা পূরণ হওয়ার নয়। তিনি সবার প্রিয় ও অনুকরনীয় আদর্শ ব্যক্তি হিসেবে সকলের হৃদয়ে অমৃত্যু টিকে থাকবেন। যুগ যুগ ধরে শিক্ষার্থীদের অন্তরে বেঁচে থাকবেন বলে তারা জানান।
উল্লেখ্য, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি, বৃহস্পতিবার মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (বাবুল) স্যারের শিক্ষকতা জীবনের শেষ কর্মদিবস ছিলো।