বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেরপুরে রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রতিযোগিতা শেষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ’র কমিটি গঠন শেরপুরে নানান আয়োজনে রক্তসৈনিক ভেলুয়া শাখার ৫বছর পুর্তি উদযাপন নালিতাবাড়ীর সেঁজুতি প্রাঙ্গনে ১১৭তম একুশে পাঠচক্র আসর নকলায় উপজেলা দর্জি কল্যাণ সংগঠন’র নতুন কমিটির অভিষেক ও অফিস উদ্বোধন নালিতাবাড়ীতে দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এসএসসি-সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরে মতবিনিময় সভা সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে ইমাম-খতিবদের সাথে মতবিনিময় সভা নকলায় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি’র বিশেষ সভা নকলার দেবুয়ারচর স.প্রা.বি-তে নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ মা সমাবেশ

আজ ৪ ডিসেম্বর ঝিনাইগাতী মুক্ত দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশের সময় | বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৭০ বার পঠিত

আজ ৪ ডিসেম্বর, শেরপুরের ঝিনাইগাতী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মিত্র বাহিনীর সহযোগিতায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক-হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ঝিনাইগাতী অঞ্চলকে শক্রমুক্ত করেন।

বিভিন্ন তথ্য মতে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ টেলিগ্রামে স্বাধীনতা ঘোষণার একটি বার্তা পৌঁছায় ঝিনাইগাতী ভিএইচএফ ওয়ারলেস অফিসে। পরদিন স্থানীয় ছাত্রনেতা ফকির আব্দুল মান্নান বার্তাটি পৌঁছে দেন শেরপুর সংগ্রাম পরিষদ নেতৃবৃন্দের হাতে।

১৯৭১-এর ২৫ মার্চ কাল রাতে যখন ঢাকার বুকে হত্যাযজ্ঞে ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনী, সেই রাতেই ৩টা ৪৫ মিনিটে স্বাধীনতার ঘোষণার টেলিগ্রাম মেসেজ ঝিনাইগাতী ভিএইচএফ ওয়্যারলেস অফিসে পৌঁছে। শুরু হয় প্রতিরোধ সংগ্রাম। যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে ঝিনাইগাতীর রাংটিয়া পাতার ক্যাম্পে বাঙ্গালী যুবকদের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প খোলা হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে এসব মুক্তিযোদ্ধারা ও ইপিআর সৈনিকদের নিয়ে সুবেদার হাকিম মধুপুরে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন। কিন্তু হানাদার বাহিনীর ভারী অস্ত্রের সামনে টিকতে না পেরে ২৬ এপ্রিল ভারতে আশ্রয় নেন তারা।

এরপর আবার ২৩ আগস্ট তাওয়াকুচা ক্যাম্পের পাক বাহিনীকে লক্ষ্য করে মুক্তিযোদ্ধারা ব্যাপক আক্রমণ চালায়। আর এতে সফলতা পায় ও ক্যাম্প দখল করে নেয় মুক্তিযোদ্ধারা। ৩ আগস্ট নকশী পাকিস্তানী ক্যাম্প আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধারা। ওই সম্মুখ যুদ্ধে পাক বাহিনীর ৩৫ জন সদস্য নিহত হয়। ২৭ নভেম্বর কমান্ডার জাফর ইকবালের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ঝিনাইগাতী বাজারের রাজাকার ক্যাম্প দখল করেন। ওই সময় ৮ রাইফেলসহ ৮ রাজাকারকে আটক করে তারা।

এভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের উপর্যুপরি আক্রমণে হানাদার বাহিনী দিশেহারা হয়ে পড়ে। অবশেষে কামালপুর দুর্গ পতনের আগাম সংবাদ পেয়ে ৩ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক দেড়টায় ঝিনাইগাতীর শালচুড়া ক্যাম্পের পাকিস্তানী বাহিনী পিছু হটে। এরপর আহমদ নগর পাকিস্তানী হেডকোয়ার্টারের সৈনিকদের সঙ্গে নিয়ে রাতেই মোল্লাপাড়া ক্যাম্প গুটিয়ে শেরপুর শহরে আশ্রয় নেয়। আর এভাবেই বিনাযুদ্ধে ঝিনাইগাতী শক্রমুক্ত হয়। ৪ ডিসেম্বর ভোরে বীর মুক্তিযোদ্ধারা মুক্ত ঝিনাইগাতীতে প্রবেশ করে স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ায়।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102