গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মসজিদের ইমামকে অপহরণ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে শেরপুরের নকলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ সভাসহ ইসকন নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয়েছে। রবিবার বিকেলে নকলা কাচারী জামে মসজিদের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে। পরে নালিতাবাড়ী মোড়ের নিউমার্কেটের সামনে ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কে প্রতিবাদ সভা করা হয়।
উপজেলা ওলামা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আনসারুল্লাহ তারার সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, মুফতি আব্দুল জলিল কাসেমী, মাওলানা শামছুল হুদা জিহাদী, মুফতি মনিরুল ইসলাম হালিমী, হাফেজ সায়েদুল ইসলাম, মুফতি তোফায়েল আলম কাছেমীসহ ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসার ইমাম ও শিক্ষকগণ।
বক্তারা, সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমামকে অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে উগ্র হিন্দু ধর্মীয় সংগঠন ‘ইসকন’ (ISKCON) নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন।
বক্তারা ইসকনকে শুধু একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী নয়, বরং দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য হুমকি স্বরূপ বলে অভিহিত করেন। তারা দাবি করেন, ইসকনের কার্যকলাপ দেশের সামাজিক ঐক্য ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফলে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই সংগঠনটির কার্যক্রম বন্ধ করা জরুরি বলে দাবি জানান।
বক্তারা জানান, গত বছর নভেম্বরে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস গ্রেফতার হওয়ার পর তার অনুসারী ‘ইসকনি সন্ত্রাসীরা’ চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে হামলা চালিয়ে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে ‘শহীদ’ করে। এই ঘটনার পর ইমামকে গুম করার স্পর্ধা দেখিয়েছে ইসকন।
মুসলমান ও সনাতনী সম্প্রদায় উভয়েরই শত্রু বলে বক্তারা জানান। সম্প্রীতি রক্ষার্থে তারা সারা দেশের মুসলমান ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ইসকনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।
উপজেলার বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসার ইমাম, মোয়াজ্জেম, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতাসহ সাধারণ মুসলিম জনতা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ গ্রহন করেন৷