বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেরপুরে রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রতিযোগিতা শেষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ’র কমিটি গঠন শেরপুরে নানান আয়োজনে রক্তসৈনিক ভেলুয়া শাখার ৫বছর পুর্তি উদযাপন নালিতাবাড়ীর সেঁজুতি প্রাঙ্গনে ১১৭তম একুশে পাঠচক্র আসর নকলায় উপজেলা দর্জি কল্যাণ সংগঠন’র নতুন কমিটির অভিষেক ও অফিস উদ্বোধন নালিতাবাড়ীতে দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এসএসসি-সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরে মতবিনিময় সভা সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে ইমাম-খতিবদের সাথে মতবিনিময় সভা নকলায় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি’র বিশেষ সভা নকলার দেবুয়ারচর স.প্রা.বি-তে নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ মা সমাবেশ

শেরপুরে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিপিসি, জানালেন বিপিসি’র চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশের সময় | শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫
  • ১২৩ বার পঠিত

আবহমান গ্রামবাংলার সবুজের সমারোহ শেরপুর জেলা। ভারত-বাংলার সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদী উপজেলা সম্ভাবনাময় অঞ্চল। এ অঞ্চলগুলো পর্যটন শিল্পে ভরপুর। জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় রয়েছে বিস্তৃত গারো পাহাড়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব লীলাভূমি এ গারো পাহাড়ে রয়েছে দেশের অন্যতম পর্যটন স্পট গজনী অবকাশ। এছাড়া এখানে বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় ও দর্শনীয় স্থান রয়েছে। যা দেশ-বিদেশের ভ্রমন পিপাসুদের আকৃষ্ট করে। গজনী অবকাশ কেন্দ্র ছাড়াও মধূটিলা ইকোপার্ক, তাড়ানি পিকনিক স্পট, রাজার পাহাড় পিকনিক স্পট, পানি হাতা পিকনিক স্পট, রাবার বাগান পিকনিক স্পট ও নাকুগাঁও স্থল বন্দরসহ বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে। অথচ সম্ভাবনাময় এলাকাগুলোতে কোন আবাসিক সুবিধা নেই। নেই আধুনিক মানের কোন হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট সেন্টার। এসব বিবেচনায় জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া মৌজায় পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন পর্যটন করপোরেশন (বিপিসি)। যেখানে থাকবে পর্যটকদের জন্য হোটেল, মোটেলসহ পর্যটদের নিরাপত্তায় ট্যুারিষ্ট পুলিশসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা।’ জেলার নকলা উপজেলার ধুকুড়িয়া এলাকাস্থ এ-জেড টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন (বিপিসি)-এর চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব সায়েমা শাহীন সুলতানা এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘দেশ-বিদেশের পর্যকটদের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে ও ব্যক্তি মালিকানায় খাবারের হোটেল, যোগাযোগ ও পরিবহন সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গড়ে ওঠলেও জেলা শহর ব্যতিত নিরাপদে রাতযাপনের সুব্যবস্থার অভাবে পর্যটকদের বিপাকে পড়তে হয়। ফলে দিন দিন পর্যটকদের আনাগোনা কমছে। আমি এই জেলার একজন নাগরিক। তাই স্বাভাবিক কারনেই শেরপুরকে আমার জায়গা থেকে দেশ বিদেশে অধিক পরিচিত করতে নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি। এই দায়িত্ববোধ থেকেই কাজ করছি। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসক শেরপুরকে রাংটিয়ায় ৫ একর জমি বন্দোবস্তের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমরা যদি বন্দোবস্ত পেয়ে যাই তাহলে দ্রুত সময়ের মধ্যে পর্যটকদের জন্য হোটেল, মোটেল নির্মাণসহ পর্যটন কেন্দ্রের কাজ শুরু করতে পারব।’

এসময় ধুকুড়িয়া এ-জেড টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রেজাউল আলম, সায়েমা শাহীন সুলতানার পরিবারের সদস্যবৃন্দ, কলেজের অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অতিরিক্ত সচিব কলেজ মাঠে পৌঁছালে কলেজ কর্তৃপক্ষ তথা শিক্ষক-কর্মচারীর পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102