বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেরপুরে রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রতিযোগিতা শেষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ’র কমিটি গঠন শেরপুরে নানান আয়োজনে রক্তসৈনিক ভেলুয়া শাখার ৫বছর পুর্তি উদযাপন নালিতাবাড়ীর সেঁজুতি প্রাঙ্গনে ১১৭তম একুশে পাঠচক্র আসর নকলায় উপজেলা দর্জি কল্যাণ সংগঠন’র নতুন কমিটির অভিষেক ও অফিস উদ্বোধন নালিতাবাড়ীতে দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এসএসসি-সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরে মতবিনিময় সভা সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে ইমাম-খতিবদের সাথে মতবিনিময় সভা নকলায় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি’র বিশেষ সভা নকলার দেবুয়ারচর স.প্রা.বি-তে নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ মা সমাবেশ

ঐতিহ্যের মৃৎশিল্প রক্ষায় নজর দিন

-মোশফিরাত তাসনীম নুঝাত
  • প্রকাশের সময় | বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫
  • ৭৯ বার পঠিত

মাটির তৈরি জিনিসপত্র গ্রামবাংলার এক ঐতিহ্য। এমন একদিন ছিলো যেদিন সর্বত্রই মাটির তৈজসপত্র ব্যবহার হতো। বর্তমানে প্লাস্টিক, কাচ, সিরামিক ও স্টীলের সহজলভ্যতার কারনে ক্রমেই মাটির পণ্য হারিয়ে যাচ্ছে। আজ তা হারিয়ে যেতে বসেছে। একসময় বাংলার ঘরে ঘরে মিলত হাজারো রকমের মাটির পণ্য। প্রায় প্রতিটি উপজেলাতে মাটির পণ্য তৈরি করা হতো। পাল সম্প্রদায়ের সব বয়সের নারী-পুরুষরা তৈরি করতেন হরেক রকম মাটির তৈজসপত্র। তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতেন তারা। এটি ছিলো পাল সম্প্রদায়ের দরিদ্র পরিবারের উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম। আগে মাটির তৈরি জিনিসের কদর ছিল তুঙ্গে। তখন দেশের প্রায় সব পরিবারেই মাটির তৈরি পণ্য ব্যাপক ব্যবহার করা হতো। এখন আর মাটির পণ্যের আগের জৌলুস নেই। তবে গ্রামাঞ্চলে মাটির খেলনা এখনো সমাদৃত। আধুনিক পণ্যের সহজপ্রাপ্যতার কারনে মাটির তৈরি পণ্যের চাহিদা অস্বাভাবিক ভাবে কমেগেছে। ফলশ্রুতিতে ঘরের যাবতীয় আসবাবপত্রসহ সকল ক্ষেত্রেই মাটির তৈরি হস্তশিল্পের কদর কমে গেছে। প্রকৃতপক্ষে মৃৎশিল্পের স্থান অনেকটাই প্লাস্টিক, স্টীল, সিরামিক ও কাচের তৈরি সামগ্রী দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এগুলো পরিবেশবান্ধব নয়। তাই মৃৎশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে মাটির পণ্য ব্যবহার বৃদ্ধিতে প্রচার প্রসারের পাশাপাশি সবার মনোযোগ আকর্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা জরুরি। এতেকরে, একদিকে সহজলভ্য পরিবেশ বান্ধব মাটির পণ্যের ব্যবহার বাড়বে, অন্যদিকে বাঙলার একটি ঐতিহ্য টিকে থাকবে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এবিষয়ে সুদৃষ্টি দিবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

-মোশফিরাত তাসনীম নুঝাত
শিক্ষার্থী, নকলা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
নকলা, শেরপুর।

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102