শেরপুরের নকলায় পৃথক ঘটনায় দুই জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ফাঁসিতে ঝুলে শিলা বেগম নামে একনারী ও বিদ্যুৎস্পর্শে তোতা মিয়া নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের দশকাহনীয়া গ্রামে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার ঘটনা এবং বিকেলে গণপদ্দী ইউনিয়নের পিপড়ীকান্দি দক্ষিণপাড়া গ্রামে বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
শিলা বেগম দশকাহনীয়া গ্রামের মজনু মিয়ার স্ত্রী ও ৪ সন্তানের জননী। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিলা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক রোগে ভুগছিলেন। অনেক চিকিৎসা করিয়েও সুস্থতা ফিরে না আসায় সে মানসিকভাবে অসুস্থ ও হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েন। হতাশা থেকেই পরিবারের সবার অজান্তে নিজ শয়নকক্ষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়ে থাকতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। পরিবারের লোকজন শিলাকে ফাঁসিতে ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
অপরদিকে, এদিন বিকেলে উপজেলার গণপদ্দী ইউনিয়নের পিপড়ীকান্দি দক্ষিণপাড়া গ্রামে বাড়ির পাশে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে তোতা মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যায়। সে পিপড়ীকান্দি দক্ষিণপাড়া গ্রামের জমশেদ আলীর ছেলে।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কাদের মিয়া উভয় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ খবর পেয়ে তাৎক্ষাণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহালের রিপোর্ট তৈরী করে। এবিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে ওসি আব্দুল কাদের মিয়া জানান।