বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেরপুরে রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রতিযোগিতা শেষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ’র কমিটি গঠন শেরপুরে নানান আয়োজনে রক্তসৈনিক ভেলুয়া শাখার ৫বছর পুর্তি উদযাপন নালিতাবাড়ীর সেঁজুতি প্রাঙ্গনে ১১৭তম একুশে পাঠচক্র আসর নকলায় উপজেলা দর্জি কল্যাণ সংগঠন’র নতুন কমিটির অভিষেক ও অফিস উদ্বোধন নালিতাবাড়ীতে দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এসএসসি-সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরে মতবিনিময় সভা সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে ইমাম-খতিবদের সাথে মতবিনিময় সভা নকলায় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি’র বিশেষ সভা নকলার দেবুয়ারচর স.প্রা.বি-তে নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ মা সমাবেশ

শেরপুরে বিজিত ১৩ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় | বুধবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩০৬ বার পঠিত

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুরের ৩টি আসন থেকে নির্বাচনে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এরমধ্যে শেরপুর-১ থেকে মো. ছানুয়ার হোসেন ছানু (ট্রাক), শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) থেকে মতিয়া চৌধুরী (নৌকা) ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) হতে এ.ডি.এম শহীদুল ইসলাম (নৌকা) নির্বাচিত হয়েছেন। বিজিত বাকি ১৩ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের আইন অনুসারে, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ২৫ হাজার টাকা জামানত হিসেবে ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। কোনো নির্বাচনি এলাকায় প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের একভাগের কম তথা শতকরা সাড়ে ১২ ভাগ ভোট নাপেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জামানত হিসেবে রাখা টাকা বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়।

ফলাফল সূত্রে জানা গছে, শেরপুর-২ (নকলা- নালিতাবাড়ী) আসনে বেগম মতিয়া চৌধুরীর সঙ্গে ২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১১ হাজার ৬৯৫ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৩৩ হাজার ২২৬ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী পেয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার ১৪২ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী অপর দুইজনের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ সাঈদ ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৪২ ভোট। যা প্রদত্ত ভোটের ১ দশমিক ১২ শতাংশ। আর জাসদ প্রার্থী লাল মোহাম্মদ শাজাহান মশাল প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৭৬ ভোট। যা প্রদত্ত ভোটের ১ দশমিক ২০ শতাংশ। ফলে মতিয়া চৌধুরীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী ২ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত বলে গণ্য হয়।

শেরপুর-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২৩ হাজার ৬৬৪ জন। এর মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৪১ জন। এতে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীক নিয়ে মো. ছানুয়ার হোসেন ছানু পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিউর রহমান আতিক নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৩৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যদের মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহমুদুল হক মনি লাঙ্গল প্রতীকে ২ হাজার ২০৭ ভোট, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের প্রার্থী বারেক বৈদেশী গামছা প্রতীকে ২০৫ ভোট, তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী ফারুক হোসেন সোনালী আঁশ প্রতীকে ১৯২ ভোট, বিএনএম প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল্লাহ নোঙর প্রতীকে ১৭২ ভোট ও বিএসপি প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ একতারা প্রতীকে ৭৪ ভোট পেয়েছেন। অর্থাৎ এ আসনে বিজয়ীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিউর রহমান আতিক ছাড়া বাকি ৫ জন প্রার্থীর প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের একভাগের কম তথা শতকরা সাড়ে ১২ ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮২ হাজার ৪শ’ জন। এর মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৭৩ জন। এতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা এ.ডি.এম শহীদুল ইসলাম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৪৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এস.এম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৭২৮ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী অপর চার প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রকৌশলী ইকবাল আহসান ঈগল প্রতীকে ২ হাজার ৫৮০ ভোট, আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান রাজা কেটলি প্রতীকে ৬৯৮ ভোট, জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. সিরাজুল হক লাঙ্গল প্রতীকে ৪৩৯ ভোট ও কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের মনোনিত প্রার্থী মো. সুন্দর আলী গামছা প্রতীকে পেয়েছেন ১৭১ ভোট। অর্থাৎ এই আসনেও বিজয়ীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এস.এম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম ছাড়া বাকি ৪ জন প্রার্থীর প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের একভাগের কম তথা শতকরা সাড়ে ১২ ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ারুল হকসহ সহকারী রির্টানিং অফিসারগন জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) ১৯৭২ এর ৪১-এর ১ ধারা মোতাবেক নির্বাচনে যে বা যারা প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের একভাগের কম তথা শতকরা সাড়ে ১২ ভাগ ভোটের কম পেয়েছেন তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102