শেরপুরের নকলায় পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে বন্যাক্রান্ত, অন্যান্য দুর্যোগাক্রান্ত, দুঃস্থ, অতিদরিদ্র ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ)-এর কার্ডধারী ১৩ হাজার ৯১৩টি পরিরের মাঝে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে শনিবার (২৪ জুন) সকাল ১০ টায় পাঠাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনের সামনে এ কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন পাঠাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম।
এসময় ইউপি সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মতিউর রহমান, কৈয়াকুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম, সংরক্ষিত ইউপি সদস্য আসমা আক্তার, ছালেহা বেগম ও সুলতানা আক্তার সম্পা, সাধারন ইউপি সদস্য রুবেল উদ্দিন, আনারুল ইসলাম, আদম শফিক, হামিদুল ইসলাম, বাজু মিয়া, মাফিজুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম বাবু, আমজাদ আলী ও ওবায়দুল হক, ব্যাংক এশিয়ার পাঠাকাটা ইউপির এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার এজেন্ট ও ইউনিয়ন উদ্যোক্তা মো. সেলিম রেজা, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সুবিধাভোগী ও গ্রাম পুলিশগন উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে নকলা উপজেলায় ভিজিএফ কার্ডধারী ১৬ হাজার ৯৯৪ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ-এর আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় প্রতিজনের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ কাজ শুরু হয়েছে। এতে নকলা পৌরসভার ৩ হাজার ৮১টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে এবং উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মোট ১৩ হাজার ৯১৩টি পরিবারের প্রধানের মাঝে পরিবার প্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের তথ্য মতে, উপজেলার ইউনিয়ন গুলোর মধ্যে গনপদ্দী ইউনিয়নের ১ হাজার ৮৫০টি পরিবার, নকলা ইউনিয়নের ১ হাজার ৪০০ পরিবার, উরফা ইউনিয়নের ১ হাজার ৭৫০টি পরিবার, গৌড়দ্বার ইউনিয়নের ৯১৩ পরিবার, বানেশ্বরদী ইউনিয়নের ১ হাজার ৩৫০টি পরিবার, পাঠাকাটা ইউনিয়নের ১ হাজার ৬০০ পরিবার, টালকী ইউনিয়নের ১ হাজার ৩৫০টি পরিবার, চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ১ হাজার ৭৫০টি পরিবার ও চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের ১ হাজার ৯৫০টি পরিবারের মাঝে এবং পৌরসভার ৩ হাজার ৮১টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে প্রতি পরিবারে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ কাজ চলছে। হিসেব মতে আগত পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে উপজেলায় মোট ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৪০ কেজি চাল বিতরণ করা হবে।
জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থা অফিস সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে জেলার মোট ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৫টি সুবিধাভোগী পরিবারের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে শেরপুর সদর উপজেলায় ৭০ হাজার ৯৪৫টি, নকলায় ১৩ হাজার ৯১৩টি, নালিতাবাড়ীতে ৩২ হাজার ৮২৯টি, শ্রীবরদীতে ২১ হাজার ৪৫৫ টি ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় ১২ হাজার ৬০০টি পরিবারসহ মোট ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৪২টি পরিবার এবং পৌরসভা ভিত্তিক শেরপুর পৌরসভার ৪ হাজার ৬২১টি, নকলা পৌরসভার ৩ হাজার ৮১টি, নালিতাবাড়ী পৌরসভার ৩ হাজার ৮১টি, শ্রীবরদী পৌরসভার ১ হাজার ৫৪০ টি পরিবারকে এই কর্মসূচীর আওতায় আনা হয়েছে।