শেরপুরে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)-এর নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। পরিষদের ৩১ কর্মকর্তা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এতে সর্বসম্মতিক্রমে ইলিয়াছ আলী-কে সভাপতি ও সজল কর্মকার-কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
বাজুস, শেরপুর জেলা শাখার কার্যনির্বাহী পরিষদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৩ পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট আইনজীবী শিবলু চন্দ্র দাস রোববার রাতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ পরিষদের ৩১ জন কর্মকর্তা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘোষণা দেন। সোমবার বিকেলে এক বিবৃতিতে তা আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ করা হয়।
পরিষদের অন্যান্যরা হলেন- সহসভাপতি রাজন মালাকার, সুনীল কর্মকার, মনোয়ার হোসেন ও মোস্তফা কামাল; সহসাধারণ সম্পাদক শিপলু কুমার নন্দী, সুমন কর্মকার, শঙ্কর কর্মকার, মোহাম্মদ আলী ও বাসুদেব পাল; কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মতিন এবং নির্বাহী সদস্য ইউসুফ আলী, মাকসুদুর রহমান, রতন কর্মকার, রাসু দত্ত, আব্দুল জলিল, ইসহাক আলী, কমল চন্দ্র সরকার, বিকাশ মালাকার, বিপ্লব কুমার নন্দী, আতিকুর রহমান, সুবোধ কর্মকার, স্বপন কর্মকার, সাইফুল ইসলাম, আবু সাঈদ, নাজমুল হোসেন, আল আমিন, লিটন দেবনাথ, মানিক মিয়া ও বাতেন শেখ।
শিবলু চন্দ্র দাস বলেন ‘বাজুস শেরপুর জেলা শাখার কার্যনির্বাহী পরিষদে ৩১টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি পদে একজন করে প্রার্থী হন। শুধুমাত্র সহসাধারণ সম্পাদকের ৫টি পদের বিপরীতে ৬জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাঁদের মধ্যে সহসাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী মো. ইসমাইল হোসেন তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এতে ৩১টি পদের সকল প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।’
নবনির্বাচিত সভাপতি ইলিয়াছ আলী ও সাধারণ সম্পাদক সজল কর্মকার এক বিবৃতিতে বাজুস শেরপুর জেলা শাখার সকল সদস্য ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি সকলকে অভিনন্দন ও সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। তারা সকলের সার্বিক পরামর্শসহ সহযোগিতা কামনা করেছেন।