শেরপুরের নকলায় শীত নিবারনের জন্য চুলোয় আগুন পোহাতে গিয়ে সাহিদা বেগম (২৫) নামে এক গৃহিণীর শরীরের কমপক্ষে ৬৫% আগুনে পুড়ে গেছে। সে উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের কবুতরমারী গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী। ১১ জানুয়ারি (বুধবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার সময় এ ঘটনাটি ঘটে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাহিদা বেগম বুধবার রাতের রান্না শেষ করে চুলায় আগুন পোহানোর সময় অসাবধানতা বশত: গায়ের কাপড়ে আগুন লেগে যায় এবং দ্রুত গায়ের কাপড়ে আগুন ছড়িয়ে পরে। এমতাবস্থায় মাটিতে গড়াগড়ি করে ও গায়ে পানি ঢেলে গায়ের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে সাহিদার কোমরের ওপর থেকে শরীরের বাকি অংশ আগুনে পুড়ে যায়।
তার ডাক চিৎকার শুনে বাড়ির অন্যরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নকলা হাসপাতালে নিয়ে যান। নকলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক সাহিদাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করেন।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে সাহিদার শ্বশুড় কবুতরমারী এলাকার দুলাল মিয়া জানান এখনো সাহিদা শঙ্কামুক্ত নয়।