শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেরপুরে রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রতিযোগিতা শেষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ’র কমিটি গঠন শেরপুরে নানান আয়োজনে রক্তসৈনিক ভেলুয়া শাখার ৫বছর পুর্তি উদযাপন নালিতাবাড়ীর সেঁজুতি প্রাঙ্গনে ১১৭তম একুশে পাঠচক্র আসর নকলায় উপজেলা দর্জি কল্যাণ সংগঠন’র নতুন কমিটির অভিষেক ও অফিস উদ্বোধন নালিতাবাড়ীতে দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এসএসসি-সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরে মতবিনিময় সভা সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে ইমাম-খতিবদের সাথে মতবিনিময় সভা নকলায় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি’র বিশেষ সভা নকলার দেবুয়ারচর স.প্রা.বি-তে নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ মা সমাবেশ

নকলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মান কাজ পরিদর্শন

মো. মোশারফ হোসাইন:
  • প্রকাশের সময় | মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৩৫৯ বার পঠিত

শেরপুরের নকলায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-এঁর উপহারের নির্মানাধীন ১৫টি ঘরের নির্মান কাজ পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার গৌড়দ্বার ইউনিয়নের পাইস্কা এলাকার পাইস্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সরকারি জমিতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া নির্মাধীন ১৫টি ঘর পরিদর্শন করেন তিনি।

পরিদর্শনের সময় শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুকতাদিরুল আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (সদ্য পদায়ান প্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী সচিব) কাউছার আহাম্মেদ, উপজেলা প্রকৌশলী আরেফিন পারভেজ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. জাহাঙ্গীর আলম, নকলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. মোশারফ হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন সরকার বাবু, স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল মিয়াসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন গনমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় চাঁন মিয়াসহ অনেকে জানান, নির্মানাধীন এই ঘরগুলো ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান প্রায় প্রতিদিন পরিদর্শন করেন। তাছাড়া সপ্তাহে অন্তত ৩-৪দিন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদ, উপজেলা প্রকৌশলী আরেফিন পারভেজ, পিআইও মো. জাহাঙ্গীর আলম, গৌড়দ্বার ইউপির চেয়ারম্যান শওকত হোসেন খান মুকুলসহ দায়িত্ব প্রাপ্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন পরিদর্শন করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান নির্মানাধীন এসব ঘরের কাজ গুণগতমান সম্পন্ন হচ্ছে।  তিনি বলেন, প্রতিটি নির্মান সামগ্রীর মূল্য উর্ধ্বগতি থাকা সত্ত্বেও মাত্র ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা ব্যয়ে সকল সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন এত মজবুত ও সুন্দর করে ঘর নির্মাণ করা সত্যিই প্রশংসনীয় বিষয়। নিয়মিত তদারকি করার ফলশ্রুতিতেই এমনটা সম্ভব হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদ, প্রকৌশলী আরেফিন পারভেজ, পিআইও জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কাজটি আমাদের একান্ত তত্তাবধানে করা হচ্ছে। আমরা প্রতিদিন কেউ না কেউ নির্মান কাজ পরিদর্শন করি। কাজে কোন প্রকার গাফলতি ও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই বলে তাঁরা জানান।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, এই ঘর গুলো বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-এঁর একান্ত আবেগের জায়গা। অতএব এখানে ভুল করে হলেও কোন প্রকার গাফলতি বরদাস্ত করা হবে না। কাজটি সুষ্ঠ ও সফলতার সহিত সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সদাসজাগ দৃষ্টি রাখতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানান তিনি। তাছাড়া এমন যেকোন কাজে কোন প্রকার গাফলতি পরিলক্ষিত হলে তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জানাতে ও প্রয়োজনে গনমাধ্যমে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের অনুরোধ জানান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

পাইস্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সরকারি জমিতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া নির্মানাধীন ১৫টি ঘরের নির্মান কাজ পরিদর্শনের পরে আরও কিছু নতুন ঘর নির্মান করার জন্য উপজেলার নকলা ইউনিয়নের উত্তর নকলা এলাকার সরকারি একটি জায়গা পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দেয়া তথ্য মতে, উপজেলার ১২ টি অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য একটি করে পাকা বাড়ি পাকা বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে। এসব প্রতিটি বাড়ির নির্মান ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা করে। এর আগে উপজেলায় ১২৬টি ঘর তৈরী করতে প্রতিটিতে ১ লাখ টাকা নির্মান ব্যয় করা হয়েছে। তছাড়া উপজেলায় ৭ টি আবাসন/গুচ্ছগ্রাম তৈরি করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩টি গুচ্ছ গ্রামে প্রতিটিতে ২৫ থেকে ৩০ টি করে ঘর নির্মান করা হয়েছে। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৭৮টি ঘর নির্মান করা হয়েছে। যার প্রতিটিতে ৩ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে এবং ৪২টি ঘর প্রতিটি ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মান করা হয়েছে। এসকল ঘরের বাসিন্দারা আজ নিরাপদে দিনাতিপাত করছেন বলে সুবিধাভোগীরা জানান।

নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এই জাতীয় আরো সংবাদ
©২০২০ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সমকালীন বাংলা
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102